নার্গিস নাহারের "স্বপ্নগুলো নিরুপায় হয়ে কাঁদায়"
বাংলাদেশ বেসকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩য় শ্রেনীর কর্মচারীদের ব্যথাতুর জীবন কাহিনী কবিতার ভাষায় ব্যক্ত করলাম।
চলার পথটায় কণ্টক বিছানো
রক্ত ঝরে প্রতি পদে পদে,
দুশ্চিন্তার বসতি চোখের পাতায়
স্বপ্নগুলো নিরুপায় হয়ে কাঁদে।
মানুষের অন্তরে মমতার লেশ নেই
হায়েনার মতো যেন আচরণ,
মানুষ মানুষকে পায়ে পিষে মারে
জর্জ ফ্লয়েড এর মত কর্মচারীরা তার উদাহরণ।
মানবিক গুণাবলী ঢাকা পড়ে সব
সীমাহীন লোভ আর লালসায়,
জনতার বন্ধু বলে যারা দাবি করে
তাদের হাতে এই কর্মচারীরা নেষ্পেষিত হয় বারে বারে।
ছোট কর্মচারী হয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম রাখেতে
যারা মরন ব্যধি করনা উপেক্ষা করে,
তাদের গলা টিপে মারে মানবতা আঁধারে
কর্মচারী হয়ে চাকরী নেয়াটাই যেনো ভুল।
বড় বড় পদের লোকেরা
অন্যায় করেও সহজে পার পায়,
কেননা জিবি পরিষদে তাদের পক্ষ্যে
কথা বলা লোকের অভাব নাই।
এই অসহায় কর্মচারীদের ভাগ্য বড় নিথর
অন্যায় না করে ও তাদের অনেক সময় চাকরীটা হারায়,
জোর যার মুল্লুক তার নীতিতে
অসহায় দুর্বলেরা বার বারে মার খায়।
আইন আছে জানি, সুবিচার নেই
কেমনে তারে সভ্যতা বলবো,
বোকাসোকা কবি, নিভৃতে ভাবে
দোযখটাও এর চেয়ে ভালো।
বই আর কিতাবে লেখা শৈশবে পড়েছি
দুনিয়ার সব মানুষ নাকি ভাই ভাই,
এখন দেখছি মানুষের পদে পদে বিভেদ
এখন ভাবি, পড়েছি পুরোটাই মিথ্যোই।
ইদানিং তেলবাজ বড় পদে আছে সব বেশ আরামে
এরা ইবলিসের চেয়েও আরো বড় শয়তান,
কসাইয়ের ওস্তাদ এরাই নাকি জাতীর অহংকার।
বর্তমান ধুর চেয়ে বড় চোর সেই চোরে পায় সম্মান।
এই গাধার খাটুনির গাধা আমরা কি দশা মোদের
মোদের পানে তাকিয়ে পায় হাসি,
প্রধান মন্ত্রীর কাছে--করজোড়ে ফরিয়াদ করি
এই কর্মচারীদের ভাগ্যের পরিবর্ত করতে না পারলে
তাদের গলাই দিও রশি।
নার্গিস নাহার
অফিস সহকারী
আব্দুল হাই ডিগ্রী কলেজ, নড়াইল।

Post a Comment
মতামত প্রকাশ করুন