প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রজব আলীকে ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে জরুরি তলব
প্রকাশঃ
![]() |
| মোঃ রজব আলী |
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রজব আলীকে ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে জরুরী তলব করা হয়েছে।
জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ময়মনসিংহের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে আইন বিষয়ক উপ-সচিব মুহাঃ মশিউল আলম কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক পত্রে অভিযুক্ত শিক্ষক জামালপুর সদর উপজেলার ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীকে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং তারিখ রোজ শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বোর্ডের আপিল এন্ড আরবিট্রেশন কমিটির সভায় দোষী সাব্যস্ত হলে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হবেন মোঃ রজব আলী। বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বোর্ডে চিঠির আলোকে বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে শ্রী অনুকুল চন্দ্র দে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী । উল্লেখ্য, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ। শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের আবেদন পত্রে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলী অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অত্র স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে নানা প্রকার অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সূত্রপাত ঘটে। শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ তাকে বিভিন্ন সময়ে সু-পরামর্শ দেয়ার পরও তিনি তার স্বৈরচারী মনোভাবের কোনরূপ পরিবর্তন ঘটাননি বা সচেষ্ট হননি। অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের সর্বোত সহযোগীতার পরেও বিদ্যালয়ের বিদ্যমান অব্যবস্থাপনার মাত্রা প্রকট থেকে প্রকটতর আকার ধারণ করছে, যার ফলশ্রুতিতে বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান ব্যাপকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এহেন অরাজক অবস্থা চলতে থাকলে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে পড়বে বলে সচেতন মহল এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা আশংকা বোধ করছেন। যে বিদ্যাপিঠে চাকুরী করে শিক্ষক-কর্মচারীদের রুটি-রুজির সন্ধান মেলে সে প্রতিষ্ঠানটি তাদের চোখের সামনে ক্রমান্নয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে একজন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের কারণে সেটা তারা মানতে নারাজ। তারা আবেদনপত্রে আরো উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলী প্রতিদিন দেরিতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। বিদ্যালয়ে পাঞ্চ মেশিন থাকার পরও তিনি পাঞ্চ করেন না। বিদ্যালয়ে মুভম্যান্ট রেজিস্টার না থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও তিনি পরের দিন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে থাকেন। সব সময় শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দের সঙ্গে অশালীন আচরণ, তাচ্ছিল্যতা এবং অকারণে চাকুরীচ্যুত করণের হুমকি দিয়ে থাকেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মানুরে প্রতি সপ্তাহে একজন প্রধান শিক্ষকের ১২ (বারো)টি ক্লাস নেয়ার বিধান থাকলেও তিনি কোন ক্লাস নেন না। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নম্বরপত্র ও সনদ বিতরণে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহন করেন। অষ্টম ও নবম শ্রেণির রেজিষ্ট্রেশন বাবদ অতিরিক্ত ফি নিয়ে থাকেন এবং ঐ টাকা প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ বাবদ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে গোপনে গ্রহন করেন। বিদ্যালয়ে আইসিটি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, শারীরিক শিক্ষা ও উচ্চতর গনিত বিষয়ক শিক্ষক থাকার পরেও তিনি নিজেই এস.এস.সি পরীক্ষার আভ্যন্তরীণ শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিপুল অংকের অর্থ উত্তোলন করেন ব্যবহারিক পরীক্ষায় নম্বর প্রদানের নাম করে। এই ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণের স্বাক্ষর জাল করে তিনি নিজেই নম্বরপত্র প্রস্তুত করেন এবং বোর্ডে প্রেরণ করেন। তিনি অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর অদ্যবধি উপবৃত্তিধারী শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত টিউশন ফি এর অর্থ আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণের সময় পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে অবৈধভাবে অর্থ নিয়ে থাকেন এবং আত্মসাৎ করেন। তিনি প্রতিনিয়তই বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন খাতের উত্তোলনকৃত অর্থ ব্যাংকে জমা না করে ভাওচার বিহীন নগদে অর্থ খরচ দেখিয়ে থাকেন। এস.এস.সি পরীক্ষায় ব্যবহারিক নম্বর দেয়ার নামে প্রতি বিষয় ৫০০/- টাকা হারে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে আদায় করেন এবং আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি, এস.এস.সি এবং বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সময় বহু সংখ্যাক বহিরাগত দুর্নীতিবাজ শিক্ষক ও ননশিক্ষক কক্ষ প্রত্যাবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়ার চুক্তি করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে মারধরসহ বিভিন্ন সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্তব্য কাজে অনুপস্থিত থাকেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং গ্রুপিং এর মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি করে থাকেন। আয়ের সাথে তার জীবন যাত্রার মান যথেষ্ট অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয়। তাই উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্তপূর্বক দুর্নীতিবাজ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অত্র বিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-কর্মচারী গত ২ নভেম্বর বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ খালেদুজ্জামান প্রদীপ, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব, মহা পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহ, উপ-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল, জামালপুর জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামালপুর সদর, জামালপুর জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দের নিকট আবেদন করেন বলে জানা যায়।
জানা গেছে, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ময়মনসিংহের চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে আইন বিষয়ক উপ-সচিব মুহাঃ মশিউল আলম কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক পত্রে অভিযুক্ত শিক্ষক জামালপুর সদর উপজেলার ১নং কেন্দুয়া ইউনিয়নের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীকে আজ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ইং তারিখ রোজ শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিতব্য সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বোর্ডের আপিল এন্ড আরবিট্রেশন কমিটির সভায় দোষী সাব্যস্ত হলে প্রধান শিক্ষক পদ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার হবেন মোঃ রজব আলী। বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বোর্ডে চিঠির আলোকে বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে শ্রী অনুকুল চন্দ্র দে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা মন্ডলী । উল্লেখ্য, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেছেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ। শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের আবেদন পত্রে উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলী অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর থেকে অত্র স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে নানা প্রকার অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার সূত্রপাত ঘটে। শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ তাকে বিভিন্ন সময়ে সু-পরামর্শ দেয়ার পরও তিনি তার স্বৈরচারী মনোভাবের কোনরূপ পরিবর্তন ঘটাননি বা সচেষ্ট হননি। অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যবৃন্দের সর্বোত সহযোগীতার পরেও বিদ্যালয়ের বিদ্যমান অব্যবস্থাপনার মাত্রা প্রকট থেকে প্রকটতর আকার ধারণ করছে, যার ফলশ্রুতিতে বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান ব্যাপকভাবে বিঘিœত হচ্ছে। এহেন অরাজক অবস্থা চলতে থাকলে ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীশূন্য হয়ে পড়বে বলে সচেতন মহল এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা আশংকা বোধ করছেন। যে বিদ্যাপিঠে চাকুরী করে শিক্ষক-কর্মচারীদের রুটি-রুজির সন্ধান মেলে সে প্রতিষ্ঠানটি তাদের চোখের সামনে ক্রমান্নয়ে ধ্বংস হয়ে যাবে একজন দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের কারণে সেটা তারা মানতে নারাজ। তারা আবেদনপত্রে আরো উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলী প্রতিদিন দেরিতে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। বিদ্যালয়ে পাঞ্চ মেশিন থাকার পরও তিনি পাঞ্চ করেন না। বিদ্যালয়ে মুভম্যান্ট রেজিস্টার না থাকার কারণে বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হয়েও তিনি পরের দিন হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে থাকেন। সব সময় শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দের সঙ্গে অশালীন আচরণ, তাচ্ছিল্যতা এবং অকারণে চাকুরীচ্যুত করণের হুমকি দিয়ে থাকেন। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিয়মানুরে প্রতি সপ্তাহে একজন প্রধান শিক্ষকের ১২ (বারো)টি ক্লাস নেয়ার বিধান থাকলেও তিনি কোন ক্লাস নেন না। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নম্বরপত্র ও সনদ বিতরণে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহন করেন। অষ্টম ও নবম শ্রেণির রেজিষ্ট্রেশন বাবদ অতিরিক্ত ফি নিয়ে থাকেন এবং ঐ টাকা প্রতিষ্ঠানের একাউন্টে জমা না করে আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ বাবদ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে গোপনে গ্রহন করেন। বিদ্যালয়ে আইসিটি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, শারীরিক শিক্ষা ও উচ্চতর গনিত বিষয়ক শিক্ষক থাকার পরেও তিনি নিজেই এস.এস.সি পরীক্ষার আভ্যন্তরীণ শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে বিপুল অংকের অর্থ উত্তোলন করেন ব্যবহারিক পরীক্ষায় নম্বর প্রদানের নাম করে। এই ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণের স্বাক্ষর জাল করে তিনি নিজেই নম্বরপত্র প্রস্তুত করেন এবং বোর্ডে প্রেরণ করেন। তিনি অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পর অদ্যবধি উপবৃত্তিধারী শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত টিউশন ফি এর অর্থ আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র বিতরণের সময় পরীক্ষার্থীদের নিকট থেকে অবৈধভাবে অর্থ নিয়ে থাকেন এবং আত্মসাৎ করেন। তিনি প্রতিনিয়তই বিদ্যালয়ের ব্যাংক হিসাব থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন খাতের উত্তোলনকৃত অর্থ ব্যাংকে জমা না করে ভাওচার বিহীন নগদে অর্থ খরচ দেখিয়ে থাকেন। এস.এস.সি পরীক্ষায় ব্যবহারিক নম্বর দেয়ার নামে প্রতি বিষয় ৫০০/- টাকা হারে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর নিকট থেকে আদায় করেন এবং আত্মসাৎ করেন। জে.এস.সি, এস.এস.সি এবং বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সময় বহু সংখ্যাক বহিরাগত দুর্নীতিবাজ শিক্ষক ও ননশিক্ষক কক্ষ প্রত্যাবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেয়ার চুক্তি করে বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। বিদ্যালয়ের অফিস সহকারীকে মারধরসহ বিভিন্ন সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই কর্তব্য কাজে অনুপস্থিত থাকেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে শিক্ষকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি এবং গ্রুপিং এর মাধ্যমে উত্তেজনা সৃষ্টি করে থাকেন। আয়ের সাথে তার জীবন যাত্রার মান যথেষ্ট অসামঞ্জস্য পরিলক্ষিত হয়। তাই উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সরেজমিনে তদন্তপূর্বক দুর্নীতিবাজ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রজব আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অত্র বিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষক-কর্মচারী গত ২ নভেম্বর বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোঃ খালেদুজ্জামান প্রদীপ, শিক্ষামন্ত্রণালয়ের সচিব, মহা পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চেয়ারম্যান মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহ, উপ-পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চল, জামালপুর জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামালপুর সদর, জামালপুর জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারসহ বাংলাদেশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দের নিকট আবেদন করেন বলে জানা যায়।



Post a Comment
মতামত প্রকাশ করুন