প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
শিকলে বেঁধে বধূকে নির্যাতন, স্বামী-শ্বশুরসহ আটক ৫
প্রকাশঃ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় কলি বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে তার স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার ভোরে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের বেলতলী চরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- কলি বেগমের স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলম, শ্বশুর আব্দুল হামিদ, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম, ভাসুর আলমগীর হোসেন ও জ্যা রুমা আক্তার।
এর আগে প্রতিবেশীদের খবরে শুক্রবার রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কলি বেগমকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, যৌতুকের দাবিতে কলি বেগমের ওপর শ্বশুর বাড়ির লোকেরা প্রায়ই নির্যাতন করতো। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তার ওপর নির্যাত বেড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার ৫০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দেয়ার জন্য চাপ দিলে কলি অস্বীকৃতি জানান। এরপর হাত ও পায়ে শিকল দিয়ে ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। কৌশলে কলি বেগম বৃহস্পতিবার সিলেটে তার মায়ের কাছে নির্যাতনের খবর পাঠান। বিকেলে সিধলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এসে কলির মা মেয়েকে উদ্ধারের আকুতি জানান।
পরে রাতে পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বেলতলী চরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কলি বেগমকে শিকলে বাঁধাসহ অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কলির শ্বশুর বাড়ির লোকেরা পালিয়ে যান। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে আটক করা হয়।
কলমাকান্দা থানার ওসি মো. মাজহারুল করিম জানান, নির্যাতিত নিজে বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
জানা গেছে, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে (২৮) সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানা তেলিপাড়ার মো. খায়রুল আলমের মেয়ে কলি বেগমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে সাড়ে তিন বছর আগে তারা সিলেটে সংসার শুরু করেন।
বর্তমানে তাদের সংসারে জান্নাতুল ফেরদৌস মাহিয়া নামে ১৭ মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় কলি বেগম (২৪) নামে এক গৃহবধূকে শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগে তার স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার ভোরে উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের বেলতলী চরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- কলি বেগমের স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলম, শ্বশুর আব্দুল হামিদ, শাশুড়ি ফাতেমা বেগম, ভাসুর আলমগীর হোসেন ও জ্যা রুমা আক্তার।
এর আগে প্রতিবেশীদের খবরে শুক্রবার রাতে ওই বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় কলি বেগমকে উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, যৌতুকের দাবিতে কলি বেগমের ওপর শ্বশুর বাড়ির লোকেরা প্রায়ই নির্যাতন করতো। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি তার ওপর নির্যাত বেড়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার ৫০ হাজার টাকা যৌতুক এনে দেয়ার জন্য চাপ দিলে কলি অস্বীকৃতি জানান। এরপর হাত ও পায়ে শিকল দিয়ে ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। কৌশলে কলি বেগম বৃহস্পতিবার সিলেটে তার মায়ের কাছে নির্যাতনের খবর পাঠান। বিকেলে সিধলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে এসে কলির মা মেয়েকে উদ্ধারের আকুতি জানান।
পরে রাতে পরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে বেলতলী চরপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ কলি বেগমকে শিকলে বাঁধাসহ অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কলির শ্বশুর বাড়ির লোকেরা পালিয়ে যান। শনিবার ভোরে অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে আটক করা হয়।
কলমাকান্দা থানার ওসি মো. মাজহারুল করিম জানান, নির্যাতিত নিজে বাদী হয়ে কলমাকান্দা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পরে তাদের ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
জানা গেছে, নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের মো. আব্দুল হামিদের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে (২৮) সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানা তেলিপাড়ার মো. খায়রুল আলমের মেয়ে কলি বেগমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে উভয় পরিবারের সম্মতিতে সাড়ে তিন বছর আগে তারা সিলেটে সংসার শুরু করেন।
বর্তমানে তাদের সংসারে জান্নাতুল ফেরদৌস মাহিয়া নামে ১৭ মাসের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

Post a Comment
মতামত প্রকাশ করুন