প্রসেসিং হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...
তীব্র গরমে টাঙ্গাইলে চাহিদা বাড়ছে তালের শাঁসের
প্রকাশঃ
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ।।
কবিতার ভাষায় ‘ঐ দেখা যায় তাল গাছ, ঐ আমাদের গাঁ, ঐ খানেতে বাস করে কানা বগির ছা। গাঁয়ে এখন বকের ছানা থাক বা না থাক, তালগাছগুলো কিন্তু কচি তালে ভরে গেছে। গ্রামগঞ্জ হয়ে তাল এখন শহরের অলিগলিতে মেলে। তালের শাঁস খাওয়ার এখনই সময়। অনেক ফল যখন ফরমালিনের বিষে নীল, অন্যদিকে তালের শাঁসে ফরমালিনের ছোঁয়া লাগেনি। নিশ্চিত করে বলছি কারণ, দীর্ঘদিন তাল রেখে দিলেও নষ্ট হয় না।
সরেজমিনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজার, স্কুল-কলেজেরর সামনে ও সড়কের বিভিন্ন জায়গায় এ কাঁচা তালেরর শাঁস বিক্রির চিত্র দেখা যায়।
তালের শাঁস ক্রেতা ৫ম শ্রেণীতে পড়ুয়া দিলদার হোসেন জানান, পাঁকা তালের চেয়ে কাঁচা তালের শাঁস খেতে অনেক স্বসাদু। প্রতিদিন ২ থেকে ৪ টা করে খাওয়া হয়।
কথা হয় পশ্চিম আকুর টাকুর রোডের আরেক কাঁচা তাল ব্যবসায়ীর সাথে। তিনি জানান, তীব্র গরমে মানুষের কাছে কাঁচা তালের শাঁস ব্যাপক চাহিদা থাকায় তাদের বিক্রির পরিমাণও বাড়ছে। অন্য দিকে তাল গাছ মালিকরাও লাভবান হচ্ছে।
টাঙ্গাইল নতুন বসটার্মিনাল রোডে কাঁচা তালের শাঁস ক্রেতা মনিরুল ইসলাম জানান, কাঁচা তালের শাঁস গরমে অনেক স্বস্তিদায়ক। কয়েকটা তালের শাঁস খেলে গরমের তীব্রতাও কমে যায়। তাই প্রতিদিন কমবেশী তালের শাঁস খাওয়া হয়।
সদর থানা বৈল্যা গ্রামের তাল গাছ মালিক রফিকুল হোসেন জানান, পাকা তাল মানুষ তেমন কিনতে চায় না ও খেতেও চায় না। হাট বাজারে বিক্রি করার জন্য নিলে তালে আবার ফেরত আনতে হয়। অনেক সময় গাছে পেকেই নষ্ট হয়ে যায়। তাই কাঁচা তাল বিক্রি করছি। এতে করে পাঁকা তালের চেয়ে দ্বিগুণ টাকায় বিক্রি করা যায় পাইকারি তাল ব্যবসায়ীদের কাছে।
তিনি আরো জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর তালে বেশী এসেছে গাছে। দামও অনেক। দুইটি গাছের প্রায় ৫ হাজার টাকার মত তাল বিক্রি করতে পারছি। কিছু তাল গাছে রেখে দেয়া হয়েছে। তা পাকার পর বীজরোপন করা হবে তাল গাছ বৃদ্ধির জন্য।
Post a Comment
মতামত প্রকাশ করুন